আসলাম সাহেবের বড় ভাই ২০১৮ সালে একটি মোবাইল ফোন দিয়েছিলেন সেই ফোন দিয়ে ভিডিও বানানোর আগ্রহ হয় এবং ইউটিউব দেখেছিলেন ভিডিও বানিয়ে অনেকেই টাকা ইনকাম করছে। তাই তিনিও একটি ইউটিউব চ্যানেল খুললেন এবং দেখছিলেন স্বপ্ন একজন সফল ইউটিউবার কিভাবে হবেন।
ইউটিউব ভিডিও আপলোড দিলেও ভালো ভিউস হতো না কিন্তু তাও হাল ছেড়ে দেয়নি আসলাম।
২০১৯ সাল পর্যন্ত পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি ইউটিউব কাজ করেছেন তখন ও ইউটিউব সফলতা অর্জন করতে পারেনি। তারপর তিনি ভিডিও বানানোর বন্ধ করে দিলো তখন তার ইউটিউব সাবস্ক্রাইব ছিল প্রায় ২ হাজার মতো ওয়াচ টাইম না থাকায় কারণেই তিনি ইউটিউব বাদ দিয়ে দেন।
তার কিছুদিন পরে করোনা ভাইরাস চলে আসলো তখন সব ইস্কুল কলেজ সব ছিল বন্ধ। তখন তিনি বন্ধু সাথে বেশিরভাগ থাকত এবং নতুন সংঘ পেলো সেইখান থেকে তার শুরু হলো ফ্রি ফাইয়ার নামক একটি গেমে আসক্ত হয়ে যায়। যে ছেলে কখনো বড়দের সাথে একটি খারাপ ব্যবহার করত না। সেই ছেলে সংঘ দেশে বেশির ভাগই এই গেমটির জন্য বাড়ি বাহিরে থাকত। এবং বন্ধু সাথে আদদা দিতো কিছু টা খারাপ হয়ে যায় আসলাম।
কিন্তু বাংলাদেশের অধিকাংশ ছেলেরা মাদকের আসক্ত হয়েছে কিন্তু তিনি মাদক আসক্ত ছিলো না। আসলাম সাহেব ছিল মোবাইলে আসক্ত এবং অনলাইনে কিছু করার নেশা ছিল।
তার ওতো টা তাও খারাপ ছিল না আসলাম, সে ছিল গ্রামের প্রকৃত ফ্রিল্যান্সার যে কারও মোবাইলে সমস্যা হলে তিনি ঠিক করে দিতেন এবং যেকোনো এপস একাউন্ট তৈরি করা সবই তিনি করে দিতেন। ছিল তার অনলাইনে সম্পর্কে অনেক ধারণা।
লেখাপড়া অবস্থা ছিল মোটামুটি কিন্তু তার স্বপ্ন ছিল অনলাইনে কিছু করার তখনি ইউটিউব একটি ভিডিও সামনে আসলো ফ্রিল্যান্সার করে মাসে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করছে অনেকেই
ইউটিউব বিষয়ে অনেক অভিজ্ঞতা থাকার কারণে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স প্রয়োজন হয়নি। ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে
২০২৩ সালে তিনি প্রথম একঠি ফাইভার একাউন্ট তৈরি করেন ৭ দিনের মধ্যে তিনি ১ টা ১৫ dollar কাজ পেয়ে যায়। অনেকেই ৬ মাস কিংবা ১ বছরের কাজ পাচ্ছে না। সেই খানে আসলাম ১৫ দিনে ৪ টি কাজ সম্পন্ন করে ছিলেন। এবং সবই ভালো রিভিউ ছিল
কিন্তু কিছু ভুলের জন্য তার একাউন্ট হারাতে হলো? আসলাম খুবই কষ্ট পেয়ে তাই মোবাইল টি ভেংগে ফেলার চেষ্টা করল। কিন্তু তার জেদ ছিল অনলাইনে কিছু করার তাই পরবর্তী আবারো ফ্রিল্যান্সার জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস ফাইভার আবার একাউন্ট খুলল কিন্তু কাজ পাচ্ছিল না। ৩ মাস পরে একটা কাজ পেলো ৫ dollar সেখান থেকে শুরু হলো তাই ফ্রিল্যান্সার জার্নি। আস্তে আস্তে তিনি আয় করতে থাকেন এই পর্যন্ত তিনি ২ লাখ টাকা আয় করেছেন ফ্রিল্যান্সার করে।